যুদ্ধক্ষেত্রে যৌন সহিংসতা
ইসরায়েলকে কালো তালিকাভুক্ত করল জাতিসংঘ
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
২৮-০৫-২০২৬ ১১:৩৯:০৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৮-০৫-২০২৬ ১১:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন
ছবি : সংগৃহীত
যুদ্ধক্ষেত্র বা সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যৌন সহিংসতা চালানোর জন্য ইসরায়েলকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ করেছে জাতিসংঘ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি এই সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিক’ এবং ‘বাস্তবতাবিবর্জিত’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
কালো তালিকাভুক্তির প্রতিবাদে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কার্যালয়ের সঙ্গে ইসরায়েল সম্পর্ক স্থগিত করেছে বলে জানিয়েছে ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’ পত্রিকা।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর ধর্ষণ ও নানা ধরনের যৌন সহিংসতার একাধিক অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং ‘মিডল ইস্ট আই’-সহ বহু গণমাধ্যমে বেশকিছু প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর জাতিসংঘ এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’ প্রথম ইসরায়েলের কালো তালিকাভুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের এই কালো তালিকায় ইসরায়েলি কারা কর্তৃপক্ষকে (আইপিএস) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য ইসরায়েলি সংস্থাকে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অন্তর্ভুক্তির জন্য নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলকে হামাস, আইএসআইএস (ইসলামিক স্টেট) এবং বিশ্বের সবচেয়ে জঘন্য সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর সঙ্গে একই তালিকায় স্থান দিয়েছেন। এ পদক্ষেপ জাতিসংঘের অবশিষ্ট বিশ্বস্ততার পূর্ণ পতন এবং নৈতিক অবমাননা।
এই কালো তালিকাটি সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন সহিংসতা (সিআরএসভি) নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ, যেখানে সশস্ত্র সংঘাতের সময় ধর্ষণ ও অন্যান্য যৌন সহিংসতা ঘটানোর সন্দেহে পক্ষগুলোকে চিহ্নিত করা হয়।
সাধারণত প্রতি বছর অগাস্ট মাসে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় এবং যারা তালিকাভুক্ত হয়, তাদেরকে অন্তত একবছর এই তালিকায় রাখা হয়। গতবছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালের তালিকায় ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী গোষ্ঠী হামাসসহ মোট ৬৩টি রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পক্ষ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স